৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
preview
শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৫ অক্টোবর

মো. নূর নবী শেখ

জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মামলাটিতে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন কারাগারে থাকা আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে তাদের আদালতের কাঠগড়ায় নেওয়া হয়।

তবে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের নিয়মিত বিচারক বদলি হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ শুনানি পিছিয়ে নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় শেখ হাসিনাসহ অধিকাংশ আসামি পলাতক রয়েছেন। কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন খুলনার যুবলীগ নেতা পারভেজ খান ইমন, চট্টগ্রাম জয় বাংলা ব্রিগেডের প্রধান কবিরুল ইসলাম আকাশ, জয় বাংলা ব্রিগেডের বরিশাল বিভাগের অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সোহানা পারভীন রুনা, হাফিজুর রহমান ইকবাল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মধু, এ কে এম আক্তারুজ্জামান, আল মারুফ, এলাহী নেওয়াজ মাছুম ও সাজ্জাদুল আনাম।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলা করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। পরে ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১৯৬ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে তাঁকেই মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশন্স) মো. এনামুল হক।

এরপর গত ১৪ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে সব আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরে ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এ মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ২৮ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে জয় বাংলা ব্রিগেডের একটি জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শ নেতাকর্মী অংশ নেন। ওই মিটিংয়ে শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেশবিরোধী বক্তব্য দেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বলেও মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি

ই-মেইল: kolom24news@gmail.com