সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
_copy7.webp)

নিজ কার্যালয়ে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর উদ্ধার হয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। তাকে উপাচার্য হিসেবে মেনে না নেওয়ার জেরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, জামায়াতি শিক্ষকদের মতো গুপ্ত না থেকে রাজপথে লড়াই করেছেন চুয়েট ভিসি।
তিনি বুধবার (১৪ অক্টোবর) ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদের পক্ষে রাজপথে নেমেছিলেন চুয়েটের (CUET) বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। তিনি চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থীও বটে। অথচ তাকে বলা হচ্ছে যে, কোনো বহিরাগতকে আমরা ভিসি হিসেবে মানবো না! তিনি কুয়েটে অধ্যাপনা করে আবার নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে এসেছেন, এটা তো তাদের জন্যই গর্বের বিষয় হওয়ার কথা। কিন্তু তার একটাই অপরাধ যে, তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জামায়াতি শিক্ষকদের মতো গুপ্ত না থেকে রাজপথে ছাত্রদের পক্ষে লড়াই করেছেন।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আর ঠিক এই অপরাধে শিবিরের গুপ্ত শাখার সদস্যরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের উসকানি দিয়ে একজন শিক্ষিক ও ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীকে বহিরাগত তকমা দিয়ে যে বেয়াদবি করেছে, এটা অসহনীয়। যারা আওয়ামী লীগের সময় ছাত্রলীগ হয়ে বেঁচে ছিল, তাদের বেয়াদবিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে অপদস্ত করে শিবিরের গুপ্ত শাখা তার জাত চিনিয়েছে যে, এরা কত ভয়ংকর হতে পারে। সুতরাং জাতীয়তাবাদী ও বাংলাদেশপন্থী শক্তিকে অবশ্যই শক্তভাবে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের পাশে দাঁড়াতে হবে।’
এদিকে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধারের পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। উপাচার্য জানান, দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় তাদের ১১ জনের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। অসুস্থ হয়ে পড়েন দুজন অ্যালামনাই সদস্যও। তাদের একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সরকারি চিকিৎসক ও সিভিল সার্জনের পরামর্শে তাকেও হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম আরও জানান, রাষ্ট্র তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেই অর্পিত দায়িত্ব পালন করতেই তিনি চট্টগ্রামে এসেছেন। কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে বা কোনো দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে তিনি আসেননি।
গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে বহিরাগতদের নিয়ে চুয়েটের প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। এরপর শিক্ষার্থীরা তাকে দুপুর ১২টার মধ্যে কার্যালয় ছাড়ার সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কার্যালয় না ছাড়ায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের ফটকে আবার তালা দেওয়া হয়। এতে নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন উপাচার্যসহ সেখানে থাকা অন্যরা।
এরপর টানা ৩০ ঘণ্টা তারা অবরুদ্ধ ছিলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ক্যাম্পাসে গিয়ে উপাচার্যকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশি পাহারায় অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ক্যাম্পাস থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
রাজনীতি নিয়ে আরও পড়ুন


_copy1.webp&w=2048&q=75)
.webp&w=2048&q=75)
_copy1.webp&w=2048&q=75)


-6acde7b79da83.webp.webp&w=2048&q=75)
