_copy7.webp)
.webp&w=2048&q=75)
কয়লাসংকটে ভারতের ঝাড়খন্ডের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ ইউনিটটি আবার চালু হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ওই ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়। তবে এর কয়েক ঘণ্টা আগে কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে রামপাল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে নেমেছে অর্ধেকের নিচে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র বলছে, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারিগরি সমস্যার কারণে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এতে কেন্দ্রটির উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে। এর আগে পর্যাপ্ত কয়লা থাকায় কেন্দ্রটি থেকে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছিল।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ইউনিটটি কেন বন্ধ হয়েছে, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। দ্রুত মেরামত করে উৎপাদনে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে, আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট গত বুধবার রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যায়। এর আগে ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় গত ৭ আগস্ট থেকে কেন্দ্রটি কম উৎপাদন করছিল।
গত মাসের শেষ দিকে সরবরাহ কিছুটা বাড়িয়ে দিনের বেলায় প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছিল আদানি। বুধবার রাতে উৎপাদন ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়ালেও পরে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তা আবার কমে যায়।
আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা জানান, একটি ইউনিটের বয়লারে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। রোববার ভোরের মধ্যে মেরামত শেষে ইউনিটটি পুনরায় চালুর উপযোগী করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে ইউনিটটি।
পিডিবি ও পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, বেলা ১টার দিকে আদানির দুই ইউনিট মিলিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ ৮৫০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সকালে তাদের সর্বোচ্চ সরবরাহ ছিল প্রায় ৭৬০ মেগাওয়াট। বিকেলের দিকে সরবরাহ ১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। ২০১৭ সালে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহের জন্য আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। কেন্দ্রটিতে ৮০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী এ কেন্দ্র থেকে একসময় দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের রেকর্ডও রয়েছে।
ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রামপালও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর আগে কয়লাসংকটে কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গেলেও বর্তমানে সেখানে প্রয়োজনীয় কয়লা মজুত রয়েছে। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হওয়ায় এবার কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ সরবরাহে তৈরি হয়েছে চাপ ।
ফলে একদিকে আদানির বন্ধ ইউনিট চালু হয়ে সরবরাহ বাড়তে শুরু করলেও একই সময়ে রামপালের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে সমন্বয়ের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে।
রাজনীতি নিয়ে আরও পড়ুন

_copy1.webp&w=2048&q=75)
_copy1.webp&w=2048&q=75)
_copy1.webp&w=2048&q=75)
.webp&w=2048&q=75)
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।