_copy7.webp)

‘মনপুরা’ সিনেমার সোনাই-পরীর বিচ্ছেদে কেঁদেছিলেন অসংখ্য দর্শক। দুটি চরিত্রে অভিনয় করে সব শ্রেণির দর্শকের মন জয় করেছিলেন চঞ্চল চৌধুরী ও ফারহানা মিলি। গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত সিনেমাটি সাফল্যের ইতিহাস হয়ে আছে ঢালিউডে।
চমক জাগানিয়া খবর হলো, ১৭ বছর পর আবারও বিখ্যাত সেই জুটিকে একসঙ্গে পর্দায় আনার উদ্যোগ নিয়েছেন সেলিম। নতুন সিনেমা ‘রাখাল’-এর মধ্য দিয়ে সেই জনপ্রিয় জুটিকে ফেরানোর পরিকল্পনা রয়েছে তার।
তবে সিনেমাটিতে তাদের চরিত্র, গল্প কিংবা অন্য অভিনয়শিল্পীদের বিষয়ে বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।
সিনেমা সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ছবির শুটিংয়ের জন্য চঞ্চল চৌধুরীর ডেট পাওয়া গেছে সামনের বছর। সেভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছেন নির্মাতা। এরই মধ্যে সিনেমার প্রস্তুতি চলছে। কিছু দিনের মধ্যে জানা যাবে বিস্তারিত।
এই সিনেমায় পরীমনিও থাকতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মনপুরা’র স্মৃতি সামনে এনেছেন চঞ্চল চৌধুরী। নিজের ও ফারহানা মিলির পরিবারের দুটি ছবি প্রকাশ করে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন এই অভিনেতা। সেখানে সিনেমার সোনাই-পরীর করুণ পরিণতির সঙ্গে বাস্তব জীবনের দুই শিল্পীর বর্তমান জীবনের পার্থক্য তুলে ধরেছেন তিনি।
চঞ্চল লিখেছেন, ‘মনপুরা’ সিনেমা দেখার পর সোনাই-পরীর বিচ্ছেদ, পরীর আত্মহনন এবং সোনাইয়ের বেদনায় অধিকাংশ দর্শকের চোখ ছলছল করেছিল। সোনাই-পরীর মিলন না হওয়ায় অসংখ্য তরুণ-তরুণী হাহাকার করেছিলেন। তার ভাষায়, সিনেমার পর্দায় সম্ভব না হলেও বাস্তবে সোনাই-পরীর আলাদা সংসার হয়েছে, সন্তান হয়েছে।
পোস্টে চঞ্চল আরও লিখেছেন, ‘সোনাই পরী এখন সংসার জীবনে দীক্ষিত দুইটি আলাদা সংসারী মানুষ। তাহাদের বর্তমান বাস্তবতার ছবি সাক্ষ্যসহকারে জনসমক্ষে প্রকাশ করিলাম। আপনারা তাহাদের সকলের জন্য দোয়া-আশীর্বাদ করিবেন।’
এত বছর পরও দর্শক সোনাই-পরীকে মনে রেখেছেন, সে জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন চঞ্চল। পাশাপাশি ‘মনপুরা’র নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
২০০৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’। সিনেমাটিতে সোনাই চরিত্রে অভিনয় করেন চঞ্চল চৌধুরী, আর পরী চরিত্রে ছিলেন ফারহানা মিলি। গ্রামবাংলার পটভূমিতে নির্মিত প্রেম ও বিয়োগান্তক গল্পের সিনেমাটি মুক্তির পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। বিশেষ করে সোনাই-পরীর প্রেম, বিচ্ছেদ এবং সিনেমার গান দর্শকের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে।
‘নিথুয়া পাথারে’, ‘যাও পাখি বলো তারে’, ‘আগে যদি জানতাম রে বন্ধু’ সিনেমাটির গানগুলো এখনো শ্রোতাদের কাছে সমান পরিচিত। ‘মনপুরা’ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ অভিনেতাসহ পাঁচটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে।
গিয়াস উদ্দিন সেলিমের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মনপুরা’। পরে ‘স্বপ্নজাল’ ও ‘পাপ-পুণ্য’সহ একাধিক সিনেমা নির্মাণ করেছেন তিনি। নতুন সিনেমা ‘রাখাল’ নিয়ে দর্শকের আগ্রহের অন্যতম কারণ হয়ে উঠতে পারে ‘মনপুরা’র সেই পরিচিত জুটির প্রত্যাবর্তন।
শোবিজ নিয়ে আরও পড়ুন




সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ খবরের নির্ভুল গন্তব্য কলম২৪। বাংলাদেশ ও বিশ্বমঞ্চের ব্রেকিং নিউজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, খেলাধুলা কিংবা বিনোদনের সব খবর—সবার আগে আপনার হাতের মুঠোয়। খবরের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে এখনই ভিজিট করুন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মনিরা রওনক বুবলি
স্বত্ব© কলম২৪ (২০২৬)
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।